
গাজীপুরের কারখানা শ্রমিদের বেতন বৃদ্ধির দাবি নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আশপাশের কয়েকটি কারখানায় ইট-পাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা দেখা গেছে। ফের পোশাক কারখানার শ্রমিকদের এই বিক্ষোভ শুরু হয়েছিল বলে জানা গেছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা দাবি করেছেন, দুপুরে অর্ধশতাধিক শ্রমিক লাঠিসোঁটা নিয়ে কাশিমপুর থেকে কোনাবাড়ীর জরুন এলাকায় আসেন। এ অবস্থায় তারা আশপাশের কয়েকটি কারখানা লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল ছাড়তে থাকে বলে বলেছেন।
রোববার দুপুর তিনটা দিকে গাজীপুর মহানগরীর কোনাবাড়ী জরুন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে, দুপুরে অর্ধশতাধিক শ্রমিক লাঠিসোঁটা নিয়ে কাশিমপুর থেকে কোনাবাড়ীর জরুনের দিকে আসে। এ সময় তারা আশপাশের কয়েকটি কারখানা লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল ছুরতে থাকে। ওই কারখানাগুলোতে তখন উৎপাদন কার্যক্রম চলছিল।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে স্ট্যান্ডার্ড গ্রুপের কারখানার অংশে দায়িত্ব পালন করা পুলিশ সদস্যরা বিক্ষোভকারীদের ধাওয়া দেন। পরে বিজিবি সদস্যরাও পৌঁছান এবং দুই সংস্থার সদস্যরা সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ ও লাঠিপেটা করে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করেন।
গাজীপুর শিল্প পুলিশের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আমজাদ হোসাইন জানান, সকাল থেকে শিল্পাঞ্চলের পরিস্থিতি স্বাভাবিক ছিল। বেলা তিনটা দিকে একই দাবিতে মণ্ডল গ্রুপের কয়েকজন শ্রমিক জরুন মোড়ের দিকে আসছিলেন। এ সময় তারা ছয় থেকে সাতটি কারখানায় ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করেন। পরে পুলিশ ও বিজিবি সদস্যরা লাঠিপেটা এবং সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে তাদের সরিয়ে দেন। এ ঘটনায় সাতটি কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। বর্তমানে ওই সাতটি কারখানা ছাড়া গাজীপুরের অন্য সব কারখানায় উৎপাদন কার্যক্রম চলছে।
